| Lesson Number |
Title |
Summary |
| 1 |
ভূমিকা: |
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত দৃশ্য শিহরন জাগায়, প্রায় সীমাহীন সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া আমাদের ক্ষুদ্রতা বোঝায়, কোটি কোটি নক্ষত্রের আকাশমণ্ডলে চোখ রাখা বিস্ময় উদ্রেক করে—তবুও এইসবের সৃষ্টিকর্তা... |
| 2 |
বিধানদাতা ঈশ্বর: |
ছোটবেলা থেকেই আমরা অন্য কারো ইচ্ছাকে প্রতিহত করি, যদি তা আমাদের ইচ্ছার পরিপন্থী হয়। বড় হলেও এই অভ্যন্তরীণ মনোভাব বদলায় না। আমরা ঈশ্বরের অথবা মানুষের ব্যবস্থা মানতে পছন্দ করি না এবং আমাদের পক্ষে... |
| 3 |
পরমদেশ এবং বিধান: |
পরমদেশে আদম ও হবার যে সৌন্দর্য ও আনন্দ ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কিন্তু তাদের বিদ্রোহ যা ধ্বংস এনেছে, সেটিও ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। সেই বিদ্রোহ মানবজাতির অন্তঃস্থলে ফাটল ধরিয়েছে এবং... |
| 4 |
যীশু এবং বিধান: |
যীশু বলেন, “'মনে করিও না যে, আমি ব্যবস্থা কি ভাববাদিগ্রন্থ লোপ করিতে আসিয়াছি; আমি লোপ করিতে আসি নাই, কিন্তু পূর্ণ করিতে আসিয়াছি” (মথি ৫:১৭)। এই গভীর বক্তব্যটি আমাদের ঈশ্বরের চিরন্তন ব্যবস্থার... |
| 5 |
বিধান এবং পাপী |
আমাদের পতনের পর, ঈশ্বরের ব্যবস্থা মান্য করার সকল সামর্থ্য আমরা হারিয়েছি। কিন্তু সবাই তা স্বীকার করে না। বাস্তবে, কেউই তা মানে না, যতক্ষণ না ঈশ্বরের অনুগ্রহ আমাদের চোখ খুলে দেয়। কেবল তখনই আমরা... |
| 6 |
বিধান এবং সন্ত |
ঈশ্বরের সন্তানেরা, যারা "সন্ত" নামে পরিচিত, তাদের চেয়ে ধন্য আর কেউ নেই। অনুগ্রহে উদ্ধারপ্রাপ্ত, অনুগ্রহে রক্ষিত, অনুগ্রহে পরিচালিত এবং শেষ পর্যন্ত অনুগ্রহের রাজ্য থেকে গৌরবের রাজ্যে... |
| 7 |
সীনয় পর্বতের বিধান |
সীনয় পর্বতের দৃশ্য ছিল স্মরণীয় ও গভীরভাবে আবেগময়, যখন ঈশ্বর তাঁর চিরন্তন ব্যবস্থা ইস্রায়েল জাতির সামনে ঘোষণা করলেন। তরুণ থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ, ইস্রায়েলের সমস্ত নেতৃবৃন্দ সহ সবাই ভয়ে কাঁপছিল এবং... |
| 8 |
প্রথম আজ্ঞা: |
“ঈশ্বর এই সমস্ত বাক্য বলিলেন” (যাত্রা ২০:১) এবং তারপর আসে দশটি আজ্ঞা। আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টার চেয়ে মহিমান্বিত কোনো ঈশ্বর নেই এবং এই দশটি আজ্ঞার চেয়ে উত্তম কোনো ব্যবস্থা নেই। মোশি তাঁর... |
| 9 |
দ্বিতীয় আজ্ঞা: |
জীবনের প্রতিটি পথচলার সূচনা একইভাবে হয়—এটি শুরু হয় একটি পদক্ষেপ বা একটি পছন্দ দিয়ে। তা যত ছোট বা গুরুত্বহীন মনে হোক না কেন, সেই প্রথম পদক্ষেপের ফলাফল আমরা জানতে পারি কেবল যাত্রার শেষে গিয়ে। তখন... |
| 10 |
তৃতীয় আজ্ঞা: |
ঈশ্বর প্রায়ই তাঁর বাক্যে বলেন যে তিনি কীভাবে তাঁর পবিত্র নামের জন্য কাজ করেন। অর্থাৎ, তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে তাঁর চরিত্র বা সত্তার গৌরবকে মহিমান্বিত করেন। আর এমন অধিকার কেবল ঈশ্বরেরই আছে। কারণ... |
| 11 |
চতুর্থ আজ্ঞা: |
“যেন আমরা ভুলে না যাই”—এই কথাটি যেমন শহীদদের স্মরণে বলা হয়, তেমনি ঈশ্বরের ব্যবস্থা সম্পর্কেও প্রযোজ্য। বিশেষভাবে এই বাক্যটি প্রযোজ্য সেই আজ্ঞাটির ক্ষেত্রে, যেটিকে অনেকেই সম্মান না করে উপেক্ষা করে।... |
| 12 |
পঞ্চম আজ্ঞা: |
ঈশ্বর পৃথিবীকে পরিচালিত করতে তাঁর প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কর্তৃত্বের কাঠামো তৈরি করেছেন। এই শাসনব্যবস্থা আমাদের কল্যাণের জন্য। এর লক্ষ্য আমাদের জীবনের পরিবেশকে সুশৃঙ্খল ও সুখকর রাখা। পতনের পর, এই... |
| 13 |
ষষ্ঠ আজ্ঞা: |
প্রায় সকলেই জীবনকে মূল্য দেয়। এর কারণ, আমরা চিরজীবনের জন্য সৃষ্ট হয়েছিলাম। |
| 14 |
সপ্তম আজ্ঞা: |
শলোমন লিখেছিলেন, "একটি মহলতুল্য বাড়িতে ঝগড়াটে সঙ্গীর সঙ্গে থাকার চেয়ে ছাদের এক কোণায় বাস করা ভালো।" এর কারণ সহজ—সন্তোষজনক সম্পর্কের চেয়ে মধুর কিছু নেই। একটি দৃষ্টিনন্দন ঘর কখনও একটি ভগ্ন... |
| 15 |
অষ্টম আজ্ঞা: |
“ধনাশক্তি সকল অধার্মিকতার মূল”—এই সত্যকে পবিত্র শাস্ত্র অসংখ্য উদাহরণে সমর্থন করে, কিন্তু মানুষ শিখতে চায় না। লোভ আমাদের এমন কিছুর উপর হাত বাড়াতে বাধ্য করে, যা আমাদের নয়। আপনার ঘরে চুরি হলে এবং... |
| 16 |
নবম আজ্ঞা: |
সাক্ষ্য প্রদান একটি বড় দায়িত্ব। এটি জীবন ও মৃত্যুর পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে। এটি জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে, নিরপরাধকে সাজা থেকে মুক্ত করতে পারে। এটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারে,... |
| 17 |
দশম আজ্ঞা: |
তার্ষ নিবাসি তরুণ শৌল ছিলেন একজন ধার্মিক ব্যক্তি। তিনি ছিলেন ঈশ্বরের জন্য উত্সাহী। তিনি নিজেকে তাদের একজন মনে করতেন, যারা মনে করে যে তারা ঈশ্বরের বিধান নিখুঁতভাবে মান্য করে চলেছে। তিনি দাবি করতেন... |
| 18 |
শাশ্বতকালের বিধান |
“এবং ঈশ্বর এই সকল কথা বলিলেন…” — মোশির মাধ্যমে লিপিবদ্ধ দশ আজ্ঞার সূচনা এভাবেই হয়েছে। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পর্বতের শিখর থেকে ঈশ্বরের মহিমাময় ঘোষণার পর, ঈশ্বর নিজেই এই দশটি আজ্ঞা দুইটি পাথরের ফলকে... |